বিয়ের রাতে এক নারীর বি’ভীষিকাময় যৌ’ন মিলনের অভিজ্ঞতা

“বিয়ের পর যখন তিনি আমার সামনে পোশাক খুলতে শুরু করেন, তখন আমি ভ’য়ে আ’চ্ছন্ন হয়ে পড়েছিলাম,”

বলছিলেন এলমিরা (ছদ্মনাম)। “আমি বার বার নিজেকে বোঝানোর চেষ্টা করছিলাম যে এখন আমার বিয়ে হয়ে গেছে। তাই আমার সাথে এগুলোই হবে।”

এলমিরার তখন বয়স ছিল ২৭ বছর। সবেমাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ শেষ করে একজন দো’ভাষী হিসেবে কাজ শুরু করেছেন। এলমিরার স্বামীকে বেছে নিয়েছিলেন তার বাবা-মা।

এলমিরা সেই বিয়েতে সম্মতিও জানিয়েছিলেন। শুধুমাত্র তার “মা’কে খুশি করতে”।

“ওই লোকটি ছিল আমাদের প্রতিবেশী, আমরা একেবারে আলাদা মানুষ ছিলাম; সে শিক্ষিত ছিল না, আমাদের মধ্যে কোন কিছুতেই কোন মিল ছিল না,”

বলেন এলমিরা। “আমার ভাই, আমাকে তার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল, এবং তারা আমাকে বলেছিল যে সে একজন ভাল লোক।

প্রতিবেশীকে বিয়ে করছি দেখে, মা খুব খুশি ছিলেন। কারণ আমি তার কাছাকাছি থাকতে পারবো, সে আমার খোঁজ খবর নিতে পারবে। বাড়িতে বিয়ের প্রসঙ্গ উঠতেই

এলমিরা তার মা’কে অনেকভাবে বোঝানোর চে’ষ্টা করেছেন যে তিনি এখনই বিয়ে করতে চাননা।

এলমিরার মা এই বিষয়টি আ’ত্মীয় স্বজনদের জানিয়ে দিলে তারা এলমিরাকে চা’প দিতে থাকেন।

অনেকেই স’ন্দেহ করছিলেন যে এলমিরা হয়তো কুমারী নন। কিন্তু সত্যিটা হল বিয়ের রাতেই এলমিরা প্রথমবার যৌ’নমিলন

করেছিলেন। প্রথম রাতেই তিনি জানতে পারেন যে তার স্বামী তার অনুভূতি এবং আত্ম-স’ম্মানবোধকে বিন্দুমাত্র পরোয়া করেননা। “তিনি শুধু আমার উপর হা’মলে পড়েন, যখন আমার মাথা আলমারির সঙ্গে ধা’ক্কা লাগতে থাকে, তখনই শুনি দরজায় টোকা পড়ছে আর পাশের ঘর থেকে না’রী কণ্ঠ ভেসে আসছে ‘অ্যাই আস্তে,

চু’পচাপ থাকো।’”- “বিষয়টা কি জ’ঘন্য!”- বলেন এলমিরা। আসলে দরজা পিছনে ছিলেন এলমিরার মা, দুই ফুফু/খালা, তার শাশুড়ী, এবং আরেকজন দূরবর্তী আ’ত্মীয় (যিনি দরজায় টোকা দিয়ে চেঁচিয়েছিলেন)।

স্থানীয় প্রথা অনুযায়ী বিয়ের রাতে বর কনের ঘরের বাইরে দুই পরিবারের সদস্যদের বা’ধ্যতামূলকভাবে উপস্থিত থাকতে হয়,

যেন ন’ববধূর কুমারীত্ব প্রমাণ করা যায়। আমার সেই দূরবর্তী আত্মীয় ‘ই’ঙ্গি’ এর ভূমিকা পা’লন করছিলেন: ই’ঙ্গি বলতে বোঝায় এমন একজন বিবাহিতা না’রীকে যিনি ন’বদম্পতির সঙ্গে বরের বাড়িতে যান।

তার কাজ হলো সারা রাত ন’বদম্পতির শোবার ঘরের পাশে বসে থাকা। তার দায়িত্বগুলোর মধ্যে একটি হল পরামর্শ দেয়া। ধারণা করা হয়,

যৌ’নমিলনে অ’নভিজ্ঞ ন’ববধূ হয়তো রাতের বেলা শোবার ঘরের বাইরে বেরিয়ে অ’ভিজ্ঞ না’রীদের থেকে পরামর্শ চাইতে পারেন। ইঙ্গির আরেকটি দায়িত্ব হল বিয়ের প্রথম রাতের পর ন’বদম্পতির বিছানার চাদর সংগ্রহ করা। “আমি একইসঙ্গে য’ন্ত্রণায় কা’তরাচ্ছিলাম আবার বি’ব্রত বোধ করছিলাম। ভাবছিলাম, বিয়ে মানে কি এগুলোই?”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *