আসলে পররাষ্ট্র মন্ত্রী কি বলছেন। বুঝতে চেষ্টা করুন উনিও একজন প্রবাসী ছিলেন

আসলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী কি বলেছেন! আগে সত্যটা জানুন দয়া করে বুঝতে চেষ্টা করুন মনে রাখবেন মাননীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী উনি ও একজন

প্রবাসী ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন ছিলো, করোনার কারনে বিভিন্ন দেশে কর্মহীন হয়ে পড়া প্রবাসীরা দেশে আসলে কি পরিস্থিতির সম্মুখীন হবে বাংলাদেশ।

উত্তরে তিনি বলেছেন, “প্রবাসীরা যথেষ্ট স্মার্ট। তারা যেভাবেই হোক কোন না কোন ভাবে পরিস্থিতি সামলে নিবে। চাকরি যোগাড় করে নিবে। এমনটা আমার বিশ্বাস।

“তারপর ও যদি একসাথে এত লোক আসে তাহলে কি হবে? এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, “দেশে এত লোকের আপাতত কর্মসংস্থান নেই বললেই চলে। এমনিতেই আনইমপ্লইমেন্ট

(বেকারত্ব) সংখ্যা বেশি। যথেষ্ট কর্মসংস্থান নেই। ১০ থেকে ১৫ লাখ লোকের চাপ সা’মলানো কঠিন হবে। আনইমপ্লইমেন্ট, বেকারত্ব বেড়ে যাবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হবে এবং চুরি চামারি

বেড়ে যেতে পারে। “উনি খুব পরিষ্কার ভাবে বলেছে, বেকারত্বের কারনে দেশের আইনশৃংখলা পরিস্থতির অবনতি হবে চুরি চামারি বেড়ে যাবে। অনেকেই প্রচার করছেন, উনি প্রবাসীদের চোর বলেছেন। সবার আগে ভিডিওর কথাগুলো

বোজার চেষ্টা করুন তারপর দৌড় দিন চিলে কান নিয়ে গেছে!!! আমি মনেকরি প্রবাসী যোদ্ধা হই কিংবা দেশী যো’দ্ধা হই, দেশের স্বার্থ সবার আগে। কিছু কিছু লোক আছে ট্রল করতে হবে, ভিডিও বানিয়ে ভিউ বাড়িয়ে পয়সা কামাতে হবে। এর আগেও দেখেছি,

নবাবজাদা নিয়ে, আমেরিকা পিপিই চাইছে এগুলো নিয়েও ট্রল করেছেন! করোনা ভাইরাস যখন বাংলাদেশী ছড়িয়ে পড়ার আশংকা তৈরী হলো তখন প্রবাসীদেরকে কোয়ারেন্টাইনে নেয়ার সিদ্ধান্ত নিলো সরকার। ঐ পরিস্থিতিতে যখন কিছু প্রবাসী নিজের দেশে এসে কোয়ারেন্টাইনে থাকবেন,

সেটা মেনে নিতে না পেরে অনেক বেশি বিশৃঙ্খলা করেছিলেন, সেই সময়ে সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে মাননীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন- আমাদের প্রবাসীরা আসলে নবাবজাদা! তারা সবকিছু ফাইভস্টার মানের চান, কিন্তু আমাদের তো সেরকম সক্ষমতা নেই। অথচ, প্রবাসীদের কঠোরভাবে কোয়ারেন্টাইনের না রাখার

ফলে যখন সারাদেশে করোনা ছড়িয়ে পড়লো, তখন আমরা বুঝলাম, তবে অনেক দেরিতে। আমরা কিন্তু বিদেশেই ঠিকই নিয়মকানুন মেনে চলি! অথচ দেশের বেলায়, হম মই কোন হনুরে!ম এরপর পররাষ্ট্রমন্ত্রী বললেন- আমেরিকা, ইউরোপের দেশগুলো আমাদের কাছে মেডিকেল ইকুইপমেন্ট চেয়েছে। আমরা হাসাহাসি করলাম। কারন, মেডিকেল ইকুইপমেন্ট বলতেই আমরা

ভেন্টিলেটর মনে করেছিলাম। মাস্ক, পিপিই যে মেডিকেল ইকুইপমেন্ট এগুলো আমরা না বুঝেই তাকে নিয়ে হাসিঠাট্টা করলাম। এরপর দেখলাম বেক্সিমকো ৬৫ লাখ পিপিই রপ্তানি করছে। সমালোচনা গুজব রটাবেই আর তাদের সে অপপ্রচার যাচাই না করে প্রচার করে বিপ্লব দেখানোটা বোকামি ছাড়া কিছুই নই। আগে সত্য জানানু তারপর প্রতিবাদ করুন। লাইক কমেন্ট ধান্ধাবাজির জন্য পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের সঙ্গী হয়ে অপপ্রচার রটানো থেকে বিরত থাকুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *